বড় বড় বাড়ি বা বড় বড় এপার্টমেন্টে থাকে নারী। বেশির ভাগই
স্বামীর টাকা আছে বলে নারী গৃহিনী। তখন একজন নারীর কাজ দামী গাড়িতে করে বড় বড় এসি
মার্কেটে যাওয়া আর ইচ্ছে মতো কেনাকাটা করা। কেউ কেউ আবার ক্লাব বা জিমেও যান। আর
পার্লার তো আছেই। সে নারীটিও কিন্তু সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বটে। এরকম কোন নারীর
সাথে যদি আপনার পরিচয় হয় তবে জিজ্ঞেস করবেন কী করেন? উত্তরে দামী ব্যাগ থেকে, একটি
কার্ড বের করে দিবে…কিসের কার্ড জানেন তো ? সেটি কোন ক্লাবের মেম্বার !! এটি কি
একজন মানুষের পরিচয়? তারপরও দেখবেন নারী এতেই খুশি! আর মানুষও দেখবেন এদের কদর করে
বেশি। আজকাল আমরা মানুষকে বিচার করি তার কর্ম দিয়ে নয়, তার অর্থ-সম্পদ দেখে। অর্থ
সম্পদ আর একজন ভাল মানুষ কি এক হলো? এসব নারীদের চেয়ে আমি ফুটপাতে চায়ের দোকানে বসা
নারীটিকে মূল্যায়ন করি বেশি। কারন, ঐ নারীটির আছে বিবেক, আছে মূল্যেবোধ, আছে
সংসারের প্রতি নৈতিক দায়িত্ব। হয়তবা তার সার্টিফিকেট নেই। আমি এসব নারীদের বিপক্ষে
নই। আবার পক্ষেও নই। কারন, একটি দেশের অর্ধেক নারী। সেই অর্ধেক শক্তি যদি ঘরে বসে
আর ক্লাব-জিম করে কাটিয়ে দেয় তবে দেশের কি অবস্থা হয় বলুন তো? আর এই অর্ধেক শক্তির
এখন কিছুটা অংশ হয়ত বাইরে বেরিয়েছে কিন্তু এদের সংখ্যা এখনো সীমিত। আর এই সব ধনী
পরিবারের নারীরা দেশের অর্থ বিদেশে পাঠাতে স্বাচ্চন্দ্যবোধ করেন। কিভাবে? তারা
বিয়ের মার্কেট বলেন বা ঈদ হুটহাট চলে যান বিদেশ। ভরপুর মার্কেট করে ফিরে আসেন
দেশের মাটিতে। দেশের জন্য নিয়ে আসেন ময়লা-আবর্জনা। কারন, খাওয়াটা শুধু রেখে দেন
এদেশের জন্য….কারন ভোজন বিলাসে বাংলারীর উপর আর কে আছে? এসব ধনী নারীদের বাস্তবতা
সম্পর্কে জ্ঞান নেই।দেশের জন্যে এদের মাথা ব্যথা নাই। তবে দু’একজন যে এর ব্যতিক্রম
নাই তা কিন্তু ঠিক নয়। আমি একজন রূমানা চেীধূরী’র কথা বলব….তিনি শিল্পপতির স্ত্রী।
কিন্তু তিনি কনাডায় থাকেন । তিনি একজন লেখক, তিনি একজন দোভাষী, তিনি জিওগ্রাফীর
উপস্থাপক। অথচ কানাডার টরেন্টোতে তার নিজের বাড়ি। বাংলাদেশের কথা না হয় নাই বললাম।
আমি একজন রূমানা চৌধূরীকে নিযৈ খুশি নই…আমি প্রতিটি ধনী পরিবারে একটি করে রূমানা
চৌধূরী দেখতে চাই।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন