কেউ চুল বেঁধে টাকা লয় আর কেউ চুল বেঁধে বাইরে বের হয়।
কাজ দু’জনের এক হলেও উদ্দেশ্য এক নয় ।
যেমন ধরুন ---আপনি একজন ব্যবসায়ী । মনে করেন, আপনি অনেক বড় একটি কাজ পেলেন। যেই কাজ সম্পন্ন করতে হলে আপনাকে একটি রাস্তা দিয়ে যেতে হবে। আপনার গন্তব্যে যেতে হলে একটা রাস্তাই আছে আর কোন বিকল্প নাই। আপনি যে রাস্তায় যাবেন সে রাস্তার কিছুদূর যাবার পরে ধরেন একটি পতিতালয়। আর আপনাকে আপনার গন্তব্যে যেতে হলে ঐ পতিতালয়ের উপর দিয়েই যেতে হবে। এখন ভাবুন যদি কোন পরিচিত লোক আপনাকে দেখেই ফেলে তখন আপনাকে কি ভাববে?
আপনি যদি মহিলা হোন তাহলে পরিচিত বা আত্মীয় (বেশিরভাগ) ভাববে আপনি যৌনকর্মী আর আপনি যদি পুুরুষ হোন তাহলে ভাববে আপনি খদ্দের।
কাজ দু’জনের এক হলেও উদ্দেশ্য এক নয় ।
যেমন ধরুন ---আপনি একজন ব্যবসায়ী । মনে করেন, আপনি অনেক বড় একটি কাজ পেলেন। যেই কাজ সম্পন্ন করতে হলে আপনাকে একটি রাস্তা দিয়ে যেতে হবে। আপনার গন্তব্যে যেতে হলে একটা রাস্তাই আছে আর কোন বিকল্প নাই। আপনি যে রাস্তায় যাবেন সে রাস্তার কিছুদূর যাবার পরে ধরেন একটি পতিতালয়। আর আপনাকে আপনার গন্তব্যে যেতে হলে ঐ পতিতালয়ের উপর দিয়েই যেতে হবে। এখন ভাবুন যদি কোন পরিচিত লোক আপনাকে দেখেই ফেলে তখন আপনাকে কি ভাববে?
আপনি যদি মহিলা হোন তাহলে পরিচিত বা আত্মীয় (বেশিরভাগ) ভাববে আপনি যৌনকর্মী আর আপনি যদি পুুরুষ হোন তাহলে ভাববে আপনি খদ্দের।
এখন আপনি কি করবেন?
আপনি রাস্তা খারাপ বলে যাবেন না?
নাকি এতদিনের সাধনা পূরণ করার জন্য ঐ পথটিতেই যাবেন যেখানে আপনার সফলতা । হোক না রাস্তা কিছুটা মন্দ ?
আমি মনে করি, একজন ইতিবাচক মনোভাবের মানুষ আপনার পথচলা নিয়ে কখনোই আপনাকে কটুক্তি করবে না। কারন তিনি আপনাকে বিচার করবেন আপনার কর্ম এবং আচরণ এবং আপনার অতীত, বর্তমান ব্যবহার দেখে।আর একজন নেতিবাচক মানুষ নেতিবাচকই ভাববেন।কারন, ভাবনা যার যার। এখানে কারো হাত নেই।
প্রশ্ন হতে পারে আপনি কি করবেন?
আমার মতে আপনি নিজেকে নিশ্চয়ই চিনেন ? যদি সেটাই হয় তবে আপনি তাই করুন যেটি সততার পথ বা সঠিক পথ। রাস্তা দিয়ে কি আসে যায়? আর কে কি বলল তাতে কি? আপনার বাসার চালটা তো আপনাকেই কিনতে হয়? বাসা ভাড়াটাও নিশ্চয়ই আপনিই দেন? তাহলে ইনকামটাও অাপনাকেই করতে হবে। তাই তথাকথিত লোক চক্ষুর ভয়ে নিজের পথে নিজে কেন কাঁটা ফেলবেন?
আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহ, সৃষ্টিকর্তা, যীশু, ভগবান ( যে যার ধর্মে) বিশ্বাসী? তাহলে সৃষ্টিকর্তা জানেন সব। তিনি সব দেখছেন। যদি ভয় করেন তবে তাঁকে ।।
মানুষকে ভয় করার কোন দরকার নেই।
ধন্যবাদ।
ভাবনা যার যার।
মতামত আপনার।
আপনি রাস্তা খারাপ বলে যাবেন না?
নাকি এতদিনের সাধনা পূরণ করার জন্য ঐ পথটিতেই যাবেন যেখানে আপনার সফলতা । হোক না রাস্তা কিছুটা মন্দ ?
আমি মনে করি, একজন ইতিবাচক মনোভাবের মানুষ আপনার পথচলা নিয়ে কখনোই আপনাকে কটুক্তি করবে না। কারন তিনি আপনাকে বিচার করবেন আপনার কর্ম এবং আচরণ এবং আপনার অতীত, বর্তমান ব্যবহার দেখে।আর একজন নেতিবাচক মানুষ নেতিবাচকই ভাববেন।কারন, ভাবনা যার যার। এখানে কারো হাত নেই।
প্রশ্ন হতে পারে আপনি কি করবেন?
আমার মতে আপনি নিজেকে নিশ্চয়ই চিনেন ? যদি সেটাই হয় তবে আপনি তাই করুন যেটি সততার পথ বা সঠিক পথ। রাস্তা দিয়ে কি আসে যায়? আর কে কি বলল তাতে কি? আপনার বাসার চালটা তো আপনাকেই কিনতে হয়? বাসা ভাড়াটাও নিশ্চয়ই আপনিই দেন? তাহলে ইনকামটাও অাপনাকেই করতে হবে। তাই তথাকথিত লোক চক্ষুর ভয়ে নিজের পথে নিজে কেন কাঁটা ফেলবেন?
আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহ, সৃষ্টিকর্তা, যীশু, ভগবান ( যে যার ধর্মে) বিশ্বাসী? তাহলে সৃষ্টিকর্তা জানেন সব। তিনি সব দেখছেন। যদি ভয় করেন তবে তাঁকে ।।
মানুষকে ভয় করার কোন দরকার নেই।
ধন্যবাদ।
ভাবনা যার যার।
মতামত আপনার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন