একই দিনে কেউ ঘরে আসে কেউ চলে যায়। মা তার সন্তানকে জন্ম দিয়ে পৃথিবীর মায়া
ত্যাগ করে চলে যায়। সেই সন্তান দিনে দিনে বড় হয়। বড় হয়ে যখন সে জানতে পারে
এই দিনই তার জন্মদিন যে দিনে তার মা চলে গেছে। এখন সেই সন্তান তার জন্মদিন
ধুমধামে, নেচে গেয়ে জন্মদিন পালন করবে নাকি মায়ের আত্মার শান্তির জন্য
দোয়া দুরদ পড়বে ওটা সেই সন্তানের মানষিকতা।যদি সে তার জন্মদিন ধুমধামে পালন
করে তবে যে কোন সচেতন মানুষই বলবে বাচ্চাটি মানুষ হলো না ! ভালই হলো ওর মা
মরে গেছে ! কারন বেঁচে থাকলে সে কত কস্টই না পেত। তাই
জন্মদিন সে পালন করতেই পারে। ওটা তার স্বাধীনতা, তার দৃষ্টি ভঙ্গি। তার
অবনতি, তার বিকৃত মানষিকতা। মায়ের মৃত্যুদিনে জন্মদিনের উৎসব !!! তেমনি
যারা বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে হত্যার দিন। সেই দিন যদি বেগম খালেদা জিয়ার
জন্মদিনও হয় আর সে তা পালন করে ধুমধামে তবে তিনি তা করতেই পারেন। ওটা তার
বিবেক, তার মানষিকতা। তাই বলে আমি মনে করি এ নিয়ে সমালোচনা করে ব্যাপারটাকে
এত হাইলাইট করার কোন দরকার নেই। এ জন্মদিনটিকে টোটালি ইগনর করা উচিত। এটি
নিয়ে কোন কথাই বলা ঠিক নয। কারন, আপনি যে ঘটনাকে বেশি পাত্তা দিবেন সে
ঘটনা আপনাকে ততই সুরসুরি দিবে। তাই এটি সম্পূর্নরূপে এভযেড করা উচিত। আর
আমি মনে করি এটি আওয়ামীলীগ ভুল করে। আওয়ামীলীগ আর আওয়ামলিীগের প্রতিটি
অঙ্গসংগঠনই এটিকে পত্রিকার এবং চ্যানেলের শিরোনাম বানিয়ে দেয়। যা অপাত্রে
কন্যা দানের সামিল। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দল যেন তেন কোন দল নয়। এ দল
সৃষ্টিতে বিশ্বাসী। এ দল গড়েছে । এ দল মুক্তিতে বিশ্বাসী। এ দল গোড়ামি নয়। এ
দল উদারতা ধারন করে। এ দলের সমর্থক যারা তারাও এই মানের না হলে এ দলের কেউ
সমার্থক হয় না। আগষ্ট শোকের মাস। তাই শোক না করে যদি কেউ নাচানাচি করে,
করতেই পারে তবে সেই বিকৃত মানুষ নিযে অালোচনা করে নিজের সময নস্ট করার কোন
মানে আছে বলে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি না বা সমর্থন করি না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন