মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০১৭

কবিতা

অসহায়ত্ব
হৃদি রুবি
আমি এমন একজনকে ভালোবাসি!
যে আমার ভালোবাসা বোঝেনা
অথবা বুঝেও না বোঝার ভান
আমি এমন একজনকে ভালোবাসি!
আনন্দ পেলে আমাকে ভুলে যায়।
সুখের মাঝে বিন্দুমাত্র মনে করে না।
আমি এমন একজনকে ভালোবাসি!
সুখের লাগি তারি এই আমি
দুনিয়া এধার থেকে ওধার করতে পারি ।
আমি এমন একজনকে ভালোবাসি!
প্রয়োজনে চিৎকার করে ডাকি আমি
তবু তার সাড়া নাহি মিলে
তবে কি আমি এক তরফা ভালোবাসি?
ভালোবাসা তবে কি তার জন্য খেলনা?
যখন ইচ্ছে খেলবে অথবা ছুঁড়ে দিবে!
আমি এমন একজনকে ভালোবাসি!
”অনুভূতি” নামে যারে আমি ডাকি।।

শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০১৭

ওড়না

অনেকেই দেখি”ওড়না” নিয়ে বেশ মাতামাতি করেন।আজ আমার প্রাক্তন প্রথম প্রেমিক আমাকে ইনবক্সে বলল, তোমার প্রফাইল ছবিটি বেশ সুন্দর কিন্তু ওড়না থাকলে আরেকটু ভাল হতো। আমি উত্তরে তাকে যা বলার তা তো বলেছি। এই লেখাটি পড়ার পর হয়ত সে একখান ব্লক দিবে আমারে !!
একজনকে বলেছিলাম, ভালোবাসি। সে তারপর থেকেই ইনবক্সে আমাকে প্রায়ই সেক্সুয়াল ভিডিও পাঠাত। কেন পাঠাত বুঝিনি। তবে সে যেদিন বুঝেছে সেদিন অনুতপ্ত হয়েছে।
যাই হোক, প্রসঙ্গে আসি---ও- তে ওড়না।
ওড়না কেন পড়তে হবে?
সিম্পল উত্তর মেয়েদের দুটি স্তন আছে সেই স্তন ঢাকতেই ওড়না পড়তে হবে। আমি তো অবাক--অনেকের স্তন তো এত বড় হয় যে ওড়নার উপর দিয়েও দেখা যায়! তখন কি করবে?

আচ্ছা, স্তন দেখলে যৌন সুড়সুড়ি হয় মানলাম। তো চুল দেখলেও হয়? পা দেখলেও হয়? তাহলে হাতে পায়ে মোজা পড়তে হবে কেন?
মেয়েরা তাদের স্তন ঢাকার জন্য জামার নীচেও একখান কাপড় পড়েন। তারপরও একখান ওড়না পড়লেই বিকৃত পুরুষদের বিকৃত কথাবার্তা বন্ধ !!
এসব কিছু্ না। প্রথমত---আমি যদি প্রশ্ন করি আপনি দেখলেন কি করে কোন মেয়ে ওড়না পড়ে আর কোন মেয়ে পড়ে নাই? আপনি তো নিশ্চয়ই জানেন, পরনারীর চেহারার দিকে তাকিয়েও কথা বলা ঠিকনা। সেখানে আপনি সোজা বুকের দিকেই তাকালেন? মানলাম ইদানিং মেয়েরা কিছুটা বেহায়া হয়েছে। তো আপনি আপনার চোখে তো শুদ্ধতা ধরে রাখতে পারেন। চোখকে একটু সংযমী করলে ক্ষতি কি?

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৭

সুইট হোম

পরিবার বলতে মা-বাবা ভাই বোনকেই সাধারণত বুঝে থাকি। অনেক সময় বলি, সেই সন্তান দুর্ভাগা যারা মা নেই অথবা বাবা নেই অথবা পুরোপুরি এতিম।
একটি সন্তানের জন্য তার মা-বাবার ভালোবাসা দরকার। বেড়ে ওঠার জন্য মা-বাবার ভালোবাসা তাকে ইতিবাচক মনোভাব করে গড়ে তুলে হয়ত মনে হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো সেই মা-বাবা ক’জন আছেন?
দু’টি দু’পরিবারের সদস্য মিলিত হলেই হয়ে যায় স্বামী - স্ত্রী এক কথায় দম্পতি। এরপরেই তো মা-বাবা হয়ে যান। ভালোবাসা যদি থাকে এক দু’বছর। তাহলে মা-বাবা হিসেবে কিইবা দিবেন সন্তানকে?
অথচ যখনই কোন ডিভোর্সের কথা আসে বা সেপারেট থাকার কথা আসে তখনই আমরা সবাই বলি সন্তানের জন্য মা-বাবা একঘরে থাকা জরুরী। যদিও এই কথাটি আমিও অস্বীকার করছি না। কিন্তু মা-বাবা হয়ে এক ছাদের নীচে থেকেও যদি আজনবির মতো বসবাস করি বা সন্তানের সাথে কমিউনিকেশন খারাপ থাকে অথবা সারাদিন ঝগড়াঝাটি করি তবে সেই লোক দেখান সম্পর্ক রাখা কি জরুরী? আপনি কি জানেন যে ঘরে মা-বাবা সারাদিন মনোমালিন্য থাকে সেই ঘরের বাচ্চা আতংকিত থাকে? যদি না জেনে থাকেন তবে দেখবেন সে মানসিকভাবে একটি অসুস্থ বাচ্চা হয়ে যাবে। যদিও বিধাতা আপনাকে কিন্তু একটি সুস্থ বাচ্চাই দিয়েছিলেন। আপনি তার আমানত লালন করতে পারেননি। তখন কি আপনার নিজেকে ব্যর্থ মনে হবে না?
মানুষের মন বড়ই বিচিত্র। তাইতো আমরা..একবার ভুল বোঝাবোঝি হলে সেই রেশ আর কাটাতে পারি না। কিছুতেই পুরানো কথা ভুলতে পারি না যদিও আমরা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব।
এমন অনেক বাবা আছেন যিনি সন্তান একাই লালন পালন করেছেন। প্রশ্ন হলো মা কই? মা হয়ত কারো হাত ধরে পালিয়েছে অথবা সেপারেট থাকছে অথবা অসুস্থ অথবা মরে গেছে।
আবার এমন অনেক মা’ আছেন যিনি একাই সন্তান লালন পালন করছেন।প্রশ্ন হলো বাবা কই? বাবা হয়ত অন্য কারো সাথে জীবন নতুন করে সাজিয়েছেন অথবা সেপারেট থাকছে অথবা মরে গেছে অথবা অসুস্থ।
নারী যখন একা ভরণ পোষন করেন তখন সে যেমন নানান অসুবিধাসহ তাকে রোবটের মতো সব মেইনটেইন করতে হয় তেমনি একজন বাবা যখন একা লালন করেন তখন তার আরো বেশি ভোগ পোহাতে হয়। কারন, বৈশিস্ট্যগতভাবেই নারীর কাজগুলো বাবাদের সামলাতে একটু সমস্যাই হয় ঐ দিকে কম জ্ঞান থাকার কারণে।
এতো কথা কেন লিখছি?
একটি কথা না বললেই নয়---ঘর। যে ঘরে আমরা থাকি। মনের মতো ফার্নিচার দিয়ে সাজাই। দামী কার্পেট। ওয়ালে কত কি? টিভি, ফ্রিজ, সোপিজ, সোফা উফ নাম মনে নেই।
কেউ বলে “ সু্ট হোম” আর কেউ বলে “ মেনটাল হোম। মনে হতে পারে সউট হোম যিনি বলেছেন তিনি সঠিক। সত্য তো এটাই আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের ঘর এখন আর ঘর নেই।
যেসব নারী নিজে সন্তান ভরণ পোষন করেন তাদের ক্ষোভ বেশি থাকে সন্তানের বাবার উপর। কারন, বাবা হয়ে সে কেন একা সব করবে? তাই অনেকে দেখি জন্ম সনদে বাবার নাম না লেখার জন্যও বলে থাকেন। তাদের আমি একটি প্রশ্ন করতে চাই কিন্তু কেন?
উত্তরে আপনি হয়ত বলবেন, কাজে লাগেনা বাবা থাকার কি দরকার? প্রশ্ন ঠিক থাকলেও আমি আপনার সাথে একমত নই। কারন, সন্তান এলো কি করে? স্বামী-স্ত্রীর চরম ভালবাসার উত্তেজনার একটি মুহূর্তেই এই সন্তানের সৃষ্টি। তাহলে তখন কেন ভাবেননি ভবিষ্যতে কি হবে? কেন আপনি ভেবেছেন যে, বাবা সবকিছু করবে? আপনার ভাবনাটা কি এক তরফা আপনার দিকে ছিলো না? সুখ তো আপনিও সমানে সমান উপভোগ করেছেন তবে দায়িত্ব করতে এসে কেন এত টায়ার্ড?
আমরা কিছু জিনিসে পাশ্চত্য দেশগুলি অনুসরণ করি। তার বেশিরভাগই যেটা আমাদের ঐতিহ্যের বিপরীতে যায় সেটি। কিন্তু যে গুলো অনুসরণ করলে আমরা আমাদের ঐতিহ্য ধরে রেখে সত্যিকার অর্থে একজন মানুষ বলে নিজেকে দাবী করতে পারব সেখান থেকে অনেক পিছিয়ে।
তাহলে আসুন পাশ্চত্যের অন্তত একটি জিনিস অনুসরণ করি? মুখ খুলে বলি, আমি সিঙ্গেল নারী । এই বলাতে যেন থাকে আত্ম-অহংকার এবং আত্ম-সম্মান।
পরিশেষে, আমি বলব...ক্যান্সার হলে কেটে ফেলুন। যতদিন বাঁচবেন মাথা উচু করে বাঁচুন। দায়িত্ব করে তা বারবার মুখে বললে সেটার মান কমে যায়। তাই দায়িত্ব করুন মুখ বুঝে যতটুকু সহে।
সবশেষে কথা একটাই......আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখে। আপনার ত্যাগ আপনি কেন! আরেকজনকে বলতে দিন। জানেন তো মরার পরেই মরনোত্তর মেডেল মিলে?

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৭

আইন চাই

একদিন লিখেছিলাম,
ঢাকা শহরে বাড়ির মালিক তারা যারা সুদূঢ় প্রসারী চিন্তার অধিকারী ছিলেন।
যারা পানি দেখেননি তারাই বাড়ির মালিক। আর যারা বাড়ি দেখেননি আর পানি দেখেছেন তারা হলেন ভাড়াটিয়া। এটি কঠিন সত্য এবং ইতিবাচক ভাবনা যাতে মানুষের মাঝে আসে সেজন্যই লিখেছিলাম।
আজ আবার সেই বাড়িওয়ালাদের নিয়েই লিখব--ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহর যে রিস্কে আছে সেটা তো সবাই জানি। মাঝে মাঝে কিছু বাড়িওয়ালাদের আচরণ এবং ভাড়ার ডিমান্ড আর এডভান্স শুনলে ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও মনে মনে বলি, আল্লাহ এই সব বাড়ি যদি ভূমিকম্পে ধসে যায় তবে এই সব অকর্মা অপদার্থ লোকেরা কি করে খাবে?উল্লেখ্য, যে বাড়িওয়ালাদের পোলাপাইন বেশিরভাগই অকর্মা এবং অপদার্থ। এদের একটাই যোগ্যতা দামী হোটেলে খাওয়া এবং মোটা মোটা দেহের অধিকারী। যার ভার বইতে বড় বড় গাড়ি লাগে জনপ্রতি একটি যার ফলে যারা কর্মজীবী তাদের ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে পরে থাকে।
উল্লেখ্য, বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে একটি নিয়ম করা জরুরী। কারন, সক্য়ার ফিট কত ভাড়া হলে এই অকর্মা বাহিনী খেয়ে পড়ে ভাল থাকতে পারে সেই পরিমান নির্ধারণ কি আদৌ এ জন্মে বাংলাদেশ সংবিধানে লেখা হবে আর যদি ভুলে হয়েও যায় তবে তা কি প্রয়োগ হবে?
আপনি হয়ত বলবেন, কোটি টাকার বাড়ি করেছে ...Rhidy Ruby বড় বড় কথা বলা যায়। ওটা তো আমিও জানি। সেক্ষেত্রে উত্তরটি আমি দেব--শুনেন ভাই বোনেরা ওসব শ্রেণীর চেয়ে Rhidy Ruby কোটিপতি কারন Rhidy Ruby কোন ব্যাংক লোন নেই। আর আমি মারা গেলে ব্যাংকের লোক দরজায় দাঁড়িয়েও থাকবেন না।
এবার বুঝলেন তো কোটিপতি কারা?
মনে এবং ধনে আমরাই...সাধারণ মানুষ যাদের বাড়িও নাই গাড়িও নাই।
লেখাপড়া করে যে ফুটপাতে হাঁটে সে.....জুতা ক্ষয় করে সে...জুতার দোকানদারের বিক্রিও বাড়িয়ে দেয় সে.......অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখে সে কারন দেশি জিনিস ব্যবহার করে সে। আমরা সেই বাংলাদেশের সম্মানিত নাগরিক।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৭

মানুষ হবো কবে?

আমি এক বড় আপুর প্রেরণায় গুগলে মাঝে মাঝে লিখি। আপনারা হয়ত অনেকেই দেখেন আমি বেশিরভাগ সময় ফেসবুকে থাকি। আসলে কম্পিউটারে অনেক ট্যাব খুলে যেহেতু নানান সাইডে থাকা যায় তাই আমি ওটাই করি। তবে গুগলেই বেশি থাকি এবং ই-মেইলে।
কাল গুগুলে নিজের নাম লিখে যখন সার্স দিলাম তখন। হঠাৎ একটি ছবির উপর ক্লিক করাতে সামনে এল একটি পেজ। আমি সেই পেজে গেলাম। আসলে পেজটির নাম আমি বাংলাতে লিখতে পারব না তাই ইংরেজীতে হালকা বুঝিয়ে দিচ্ছি ....নামটা সেক্সুয়াল পেজ।
সে যাক গে সেখানে আমি যা পেলাম পেজে লক্ষ লক্ষ লাইক। পেজটি মূলত বাংলা চটি। শুনতে কেমন মনে হলেও সত্য যে...চটিগুলোতে যেসব সেক্সুয়াল কাহিনী বর্ণনা করেছে তা বেশিরভাগ নিজের মা, চাচী, খালা এবং ভাবী এমনকি আপন বোনের সাথে।
যদিও বাস্তবে টুকটাক একসিডেন্টলি শুনা যায় বাবা দ্বারা মেয়ে রেইফ, শিক্ষক দ্বারা ছাত্রী বা গ্রামের বখাটে দ্বারা কেউ কেউ। কিন্তু ওটা রেইফ। মানে একজন বিকৃত মনের মানুষ দ্বারা কারো উপর অত্যাচার। কিন্তু চটিগুলোতে যেটি প্রকাশ করে সেটি হলো সম্মতিক্রমে হচ্ছে।আমি আজ পর্যন্ত শুনিনি যে ছেলে দ্বারা নিজের মা’ রেফ হয়েছেন। এমন সাবলীলভাবে লিখেছেন তাতে মা এবং ছেলে সেক্সুয়াল রিলেশন যেন অহরহ হচ্ছে। অথচ সেটা অবিশ্বাস্য নয় শুধু বানোয়াটও বটে।

তবে ওসব চটি যদি কোন বিবাহিত লোক পড়েন তবে আপনি বুঝতে পারবেন ওটা ১০০% মিথ্যা এবং বানানো গল্প।আমি অত্যন্ত হতাশ! অত্যন্ত দুঃখের সহিত বলতে হয় যে, এসব চটি পেজই বাংলার। তার মানে এরা বেশিরভাগই বাংলাদেশী।
কে জানি বলেছিলেন, আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
যাই হোক যেই প্রসঙ্গে লেখা----
আমাদের দেশের নব্য কবি সমাজ বেশ বেশ্যা নিয়ে লিখে থাকেন। সেদিন একজনের লেখা পড়ে মনে হলো ঘরে বাইরে যত নারী আছেন সবই বেশ্যা। তিনি আবার কবিও বটে। কারন অনেকেই তাকে কমেন্ট করেছেন আর বলেছেন কবি অসাধারণ।
যদিও তারা শুধু বেশ্যা বলতে নারীদের বুঝিয়ে থাকেন।
কিন্তু কাল যখন আমি ঐ পেজে ছিলাম তখন দেখলাম চটির কমেন্ট। কমেন্টগুলো বেশিরভাগ ছেলেদের এমন……..আপনারা যারা মহিলারা আছেন আপনাদের হাজব্যান্ড আপনাকে সেক্সুয়াল সেটিজফ্যাকশন দিতে অক্ষম বা অবিবাহিত যারা আছেন তাদের ১০০% বিশ্বস্ততা নিয়ে আমি আপনাদের মতো করে আপনাদের সেক্সুয়াল সেটিজফেকশন দিবো। যোগাযোগ করুন বলে একটি নাম আর মোবাইল নম্বর দেয়া।
এখন প্রশ্ন হলো বেশ্যা তাহলে উভয় লিঙ্গ শব্দ?
যেমন—যুব।
যুব মানে হলো---যুবক এবং যুবতী।
বেশ্যা—পুরুষ বেশ্যা এবং নারী বেশ্যা।
[কমেন্ট করার ভাষাই বলে দেয় যে আপনি কি বুঝেছেন!!]
উল্লেখ্য ওসব পেজের চটিতে কিন্তু আমার ফ্রেন্ডদের কেউ কেউ লাইকও দিয়েছেন।

বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৭

নতুন কিছু গড়ার স্বপ্ন দেখি

প্রমান দিয়ে সতীত্ব পরীক্ষা দিতে নিজের অস্তিত্বকে বিলীন করতেই বাঙালি নারী স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করে। নারীর সম্মান নারীই ধরে রাখতে জানে না। প্রমানে আর যাই হোক বিশ্বাস ফিরে পাওয়া যায় না। সতীত্ব হরণ হলেই কেবল চরিত্র বিনস্ট হয় না। চরিত্রের সজ্ঞাটা এত ছোট নয় যত ছোট আমাদের ভাবনা।
একটি মানুষের ওভার অল বৈশিস্ট্যই চরিত্রের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আমাদের কাছে চরিত্রের সজ্ঞা একটি বিশেষ অঙ্গ জুড়ে থাকে বলে জ্ঞানের পরিধিটাও একটি বৃত্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। একটি বৃত্ত তখণই সম্পূর্ন যখন ব্যাস, ব্যাসার্ধ এবং পরিধি মিলে হয়।।

চিঠি

প্রিয়,................,
কেমন আছো তুমি? একবারে ঠিকই করেছি তোমাকে লিখব না আর লিখলেও পোস্ট করবনা।আবেগের বশে যাতে ভুলে পোস্ট না করে ফেলি তাই বাসাটা পোস্ট অফিস থেকে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি। তুমি কি করে ভুলে গেলে? বলনা? তুমি যদি জিদ্দি হও তবে আমি তো তোমারই প্রতিচ্ছবি।। আচ্ছা, গিয়েছিলাম তোমার বাড়িতে। ভালোবাসনি কোনদিন তবে তোমার ওয়ালে যার ছবি হাসে সে কে ? ওটা যদি ভালোবাসা না হয় তবে কি ঘৃনা? হুম, ঐ ছবিগুলো তবে এজন্যই ঝুলিয়ে রেখেছ কি যাতে দেখে দেখে ঘৃনা করতে পারো অথবা যেন ঘৃনা করতে ভুলে না যাও?
হা হা হা ।
ভালোবাস আর ঘৃনা। জয় তো আমারই হলো। কারন আমি তোমার বুকে কখনোই ঠাঁই পেতে চাইনি আমি চেয়েছি তোমার ব্রেনে থাকতে। সেখানে আছি তো যেভাবেই থাকি।

এভাবেই থেক। ভুলনা যেন ঘৃনা করতে। তুমি কতটা ঘৃনা করতে পারো আর আমি কতটা ভালোবাসতে পারি!!
ইতি
সেই আমিই এই আমি।

আমার ভাবনা

নতুন দিনই নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়।।

কবিতা

ফিরে দেখা
হৃদি রুবি
তাং-০১-০১-২০১৭
জীবনের শুরুটা মায়ের গর্ভে
বেড়ে ওঠা মায়ের দুগ্ধ পান করে।
কস্ট পেলে মায়ের বুকে গেলে কমে
যৌবনে পা দিলে প্রেমিকা এলো সেই ছোট্ট জীবনে।
বিয়ের পিঁড়িতে বসেই কিছুটা গেলাম বদলে।
ব্যস্ততা যায় বেড়ে কাজে আর কর্মে
ব্যস্ত,ব্যস্ত আর ব্যস্ত যত মুখেমুখে
সবই চলে মায়ের অগোচরে!
যেই মায়ের কারণে পৃথিবীতে এলেম
সেই মায়েরই যখন বয়স বাড়ে
অবহেলা আর অযত্নে দিলাম তারে
সেই দূর বহুদূরে বৃদ্ধাশ্রমে!
যেখানে সব মা-বাবাদের ঠাঁই মিলে!!
অশ্রু আর স্মৃতিঘেরা কল্পনাতে।
কাজের দোহাই দিয়ে যাদের দিলাম ধোকা
জীবনের সেই সময়ে এসে আমি হলাম বোকা
বোঝা ভেবে যাদের দিয়েছি ফাকিঁ
পিছন ফিরে আজ দেখি, হায়! সবই মেকি!!

তবুও ভালোবাসি

সময় কারো জন্য থেমে থাকেনা। তেমনি জীবনও কারো জন্য থেমে থাকেনা,জীবন চলে জীবনের নিয়মে।কে কাঁদল আর কে হাসল তা নিয়ে জীবনের কোন মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু যার ব্যথা সে জানে এ কি ব্যথা! সেই বোঝে মনটা কেমন করে ! কারন, মনটা মাঝে মাঝে থেমে যায়, প্রিয় মানুষটার জন্যে ! ‍খুউব কাছের কারো জন্য! হৃদয়ে মৃদু ভূমিকম্পনও জাগে সেই মানুষটির জন্য! তখন খুব বেশী কষ্ট হয় ...!! সেই কষ্ট এর রং এতটাই নীল যা সাপের বিষের চেয়েও অনেক যন্ত্রনার! অথচ কাউকে দেখানো যায় না...শুধু তাই না, এমনকি কারো সাথে শেয়ারও করা যায় না !!!
শুধু মন কাঁদে তারই জন্য আর মন বলে তবুও ভালবাসি।।

সত্য জানতে চাই।



বিকৃত ইতিহাস নয়, আমরা সত্যিকার ইতিহাস জানতে চাই। ক্ষমতার লড়াইয়ে যারা লিপ্ত তাদের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ আমাদের এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মদের সঠিক ইতিহাস জানতে দিন।
আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা ক্ষমতা বুঝি না, দল বুঝিনা। আমরা বুঝি আমরা অনেক ত্যাগ তিতীক্ষা সহ্য করে স্বাধীনতা পেয়েছি। আর আমরা তাই চাই----স্বাধীনতার ডাক দেয়া সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করতে, বীরশ্রেষ্ঠ সাতজনকে সারা জীবন শ্রদ্ধা করতে, বীর উত্তম, বীরবিক্রম, বীর প্রতীক যারা তাঁদের শ্রদ্ধা করতে, চাই বীরাঙ্গনাদের শ্রদ্ধা করতে, চাই সেক্টর কমান্ডারদের শ্রদ্ধা করতে, চাই ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা করতে।এছাড়াও নাম না জানা যে যেখান থেকে স্বাধীনতার জন্য যতটুকু করেছেন তাঁদের সবাইকে শ্রদ্ধা করতে।
কিন্তু আমরা কোনমতেই চাই না ক্ষমতা বদলের সাথে সাথে শ্রদ্ধাটাও পরিবর্তন করতে।
সাধারণ জনগন হিসেবে এই চাওয়াটুকু কি খুব বেশি ??