শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬

কবিতাসমগ্র

রবী ঠাকুরের গীতাঞ্জলী!
যার কথা সবাই জানি!
শামসুর রহমানের স্বাধীনতা তুমি !
শিরায় শিরায় শিহরন জাগি!
বেগম সুফিয়া কামালের
তাহারেই পরে মনে !!
এ যেন হারানো প্রেম কারে বলে!
কাজী নজরুলের সাম্যের গান গাই !
যেখানে পুরুষ রমনী ভেদাভেদ নাই!
জসীম উদ্দিনের কবর
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চির আমর!
বেগম রোকেয়ার অবরোধবাসিনী
নারী পুরষ সবাই মোরা জানি!
হেলাল হাফিজের সেই দেয়াল!
আড়ালে কিছু কয় সবই মনের খেয়াল!
রফিক আজাদের যদি ভালোবাসা পাই
শুধরে নেবার এসো সব পণ করে লই!
জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেন!
অন্ধকারে কেঁদে মরে যে ভালবাসেন!
কালীপ্রসান্ন ঘোষের পারিব না
বলে আর নিজেকে এড়িও না !
সুকান্তের সেই সে বাণী !
সবাশ বাংলাদেশ!
সারা বিশ্ব অবাক তাকিয়ে রয়
জ্বলে পুরে মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয় !
কবিতা এমনই তবে হয়!
দু’চার লাইন লিখলে হয় লেখনি !
এসেছে নতুন শিশু তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান
এ পৃথিবীতে বাস যোগ্য করে যাব তার
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার !
এ কেবল সুকান্তই কয়!
হায়! কবিতা কারে কয়!!

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

যৌন হয়রানী

যৌন হয়রানী মূলত পুরুষের বিকৃৃত যৌন কামনার বহিঃপ্রকাশ। সাধারনত যে আচরনগুলোকে যৌন হয়রানী বলে গন্য করা যায়ঃ যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য বা রসিকতা, গায়ে হাত দেয়া বা দেয়ার চেষ্টা করা, ই-মেইল, এস এম এস, টেলিফোন বিড়ম্বনা, পর্নোগ্রাফি বা যে কান ধরনের চিত্র, অশ্লীল ছবি, দেয়াল লিখনের মাধ্যমে হয়রানি, অশালীন উক্তিসহ আপত্তিকর কোন ধরনের কিছু করা , কাউকে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে সুন্দরী বলা, কোন নারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, যে কোন চাপ প্রয়োগ কার, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন করা, যৌন সম্পর্ক দাবী বা অনুরোধ এবং অন্য যে কোন শারীরিক বা ভাষাগত আচরন যার মধ্যে যৌন ইঙ্গিতপ্রচ্ছন্ন। যৌন হয়রানী ঘরে বাইরে, অফিসে, মার্কেটে, রাস্তায়, এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও হয়ে থাকে............এটি এমন একটি নির্যাতন যা সাধারনত হয়রানীর শিকার কিংবা হয়রানীকারীর শ্রেণী, বয়স, পেশা, সামাজিক মর্যাদা বা বস্থানের উপর নির্ভর করে না। বাংলাদেশে রাস্তাঘাটে মেয়েদের ইত্যক্ত বা হয়রানী করা বা ইভটিজিং হচ্ছে যৌন হয়রানীর সবচেয়ে প্রকাশ্যে , বেপরোয়া এবং মারাত্মক রূপ। শুধু এ পর্যায়ই এখন আর সীমাবদ্ধ নাই....ফ্লেক্সি দোকান থেকে নম্বর বাহিরে প্রকাশ এবং সময়ে অসময়ে সেখান থেকে ফোন আসা এবং বিভিন্ন সময়ে বিরক্তকরাও এখন বর্তমানে একটি মারাত্ম রূপ ধারন করেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারনে বিশেষ করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের অনেকের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়, এমনকি অল্প বয়সে এখনো অহরহ বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অনেকে মানষিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে আত্মহনন পর্যন্ত করে থাকে। শুধু আইন থাকলেই হয় না। আইনের ভয়ে ভীত না হয়ে সবার মধ্যে যদি মানবিকতা এবং সচেতনতা কাজ করে এবং নিজের ইজ্জতের মূল্য থাকে তবে এর প্রতিকার করা সম্ভব। তবে এর পাশে এটিও সত্য যে সমাজে এখনো অনেক ভাল মানুষের দেখা মেলে যারা পথেঘাটে নারীদের অনেক সহায়তা করেন একজন ভাইয়ের মতো, বাবার মতো বা বন্ধুর মতো অথচ তার আচরনে কোথাও প্রকাশ পায় না জেন্ডার বৈষম্য।
পরিশেষে, নারী নয় পুরুষ নয়....প্রতিটি মানুষের কাছে আহবান ...অন্যায় কারীর বিরুদ্ধে আসুন সবাই রুখে দাড়াই সে যে পরিবেশেই হোক না কেন বা হোক না আমার পরিচিতজন বা আত্মীয়।

[মনে রাখতে হবে যে ব্যক্তির নিজের ইজ্জতের খেয়াল থাকে, সেই কেবল অন্যের ইজ্জতের পরোয়া করে বা দিতে জানে]

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১৬

পিতা মাতার প্রতি একটু সময় দিয়ে ভাবুন ! (২য় পর্ব)

মা’ মরে গেলে সন্তান হিসেবে আপনার উচিৎ আপনার বাবাকে ২য় বার বিয়ে দেয়া যখন এ কথাটি চলে আসে তখন প্রশ্ন চলে আসে মা’কে নয় কেন? আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট এবং ট্রেডিশন অন্য দেশের মতো নয়। একটু আলাদা, একটু মমতাঘেরা। মা’ শব্দটি আমাদের কাছে বড়ই ইজ্জতের এবং সম্মানের। একজন মা’ মারা গেলে একজন বাবার পক্ষে তার চাকুরি বা ব্যবসা সামলিয়ে বাচ্চাদের সামলান বা সংসার সামলান সহজ কাজ নয়। যা সহজে একজন মা’ তার স্বামী মারা যাবার পরও ঘর এবং বাহির খুব সুন্দরভাবেই সামলাতে পারেন। এজন্যই একজন নারী মা-বোন-জায়া। সে যে কোন অবস্থাতেই যে কোন সম্পর্ক অত্যন্ত সুন্দর এবং সাবলীলভাবে সম্পন্ন করতে পারে। যা একজন পুরুষ করতে চাইলে তার জীবন দুর্বিসহ হয়ে পরে।এজন্যই একজন বাবা মারা গেলে একজন মাকে সহজেই বিয়ে দেয়া যায় না বা সমাজ ব্যবস্থার কারনে হয় না। কিন্তু আমি মনে করি সবার আগে আমার মা’।মায়ের শান্তিই একজন সন্তানের শান্তি হওয়া উচিত। সমাজ আমাদের তৈরি। আমার সুযোগ সুবিধার জন্য তৈরি। তাহলে কেন একজন মা’ মাত্র পাঁচ বছর সংসার করার পর তার স্বামী মারা গেলে বিযে দেব না? অবশ্যই দেব কিন্তু সেজন্য চাই আমার সে রকম একজন পুরুষ। যিনি একজন মা সহ তার সন্তানকে অতি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিবে।আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থাতে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে পর কনে চলে যায় বরের বাড়ি। তাই একজন মা’কেও ২য় বিয়ে দিতে হলে স্বামীর বাড়ি চলে যেতে হবে। সেকারনে একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের উপর কিছুই নেই।একজন মা’ কিছুতেই তার সন্তান ফেলে নিজের সুখের চিন্তা করবে না।তাই মা’কে ২য় বিয়ে দিতে চাইলেও একজন উদার মনে পুরুষ ছাড়া অনেক সময় এ বিযে দেয়া সম্ভব হয় না। নেতিবাচক মনোভাবের কারনে খুব কম পুরুষই আছেন যে বউয়ের ১ম সংসারের বাচ্চাসহ বউকে ঘরে তুলেন। একেবারে যে দু’একজন নেই তা কিন্তু আমি অস্বীকার করছি না। আর যতদিনে এরকম পুরুষের সংখ্যা সমাজে না বাড়বে ততদিন পর্যন্ত একজন বিধবা মা’কে বিয়ে দেয়া সহজ হবে না। শুধু বিয়ে নয়, দেখতে হবে একজন পুরুষ বিয়ে করার সাথে সাথে সন্তাটিকেও জেনে শুনে বুঝে সুন্দরভাবে নিজের সন্তানের মতো মেনে নেয় নিজ সন্তানের মতো। তাহলে একটি পিতৃহারা সন্তান পেল বাবা আর একজন চাপাকস্টে জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকা মা’ পেল একজন সুখ-দুঃখের সাথী। আবার, এমনও হতে পারে চাইলে ২য় স্বামীটি বউয়ের ১ম স্বামীর বাড়িতেও থাকতে পারে যদি তার আত্ম-সম্মানে না লাগে। আর আমি মনে করি, এখানে আত্ম-সম্মানহানীর কিছু্‌ নেই। কারন, যেটা সবাই করে ওটা সাধারন। আর যে কাজ দু’একজন করে ওটা উদাহরণ…ওটাই সমাজে অসাধারন কাজ। হয়ত সমাজে অভাব নেই একজন বিধবা মা’কে বিয়ে করার মতো পুরুষ কিন্তু অনেকেরই শর্ত থাকে সন্তান যেতে পারবে না বা দেখা করতে পারবে না বা বডিং স্কুলে থাকবে…ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে এসব বাচ্চাদের ভাগ্যে জুটে নানী-দাদী-চাচী-মামীদের বা বডিং স্কুলে থাকার এক যন্ত্রনা। এসব চিন্তা করে একজন বিধবা মা’কে বিয়ে দেয়া বা বিয়ে করতে চাইলেও বিযে করা সম্ভবপর হয় না। এখানেও একজন নারীর কিছুটা অপারগতা থেকেই যায়। নারী হয়ে জন্মালেই যেন কিছুটা পিছুটান, কিছুটা দুর্বলতা, কিছুটা অসহায়ত্ব তেকেই যায়! তাহলে কিসের শিক্ষা আর কিসের দীক্ষা? আর কিসের পরিবর্তন? ছিলাম যেখানে এখনো আছি ঠিক আগের মতোই সেখানে। আমি একজন নারী আমি চাইলেই সব হবে না যদি না একজন পুরষ আমাকে যথার্থ সহযোগীতা না করে !
পরিশেষে, আমি সমানাধিকারে বিশ্বাসী নই। আমি চাইনা কোন নারী তার চাপাকস্টে জীবন পার করুক। সেজন্য চাই পুরুষের সহযোগীতা, সহমর্মীতা এবং আমাদের জন্য উদারতা। এতটুকু চাওয়া কি আমি চাইতে পারি না আপনাদের কাছে আপনাদেরই মা বা বোন বা জায়া হিসেবে?

[শেষ পর্ব আসবে খুব শীঘ্রই]

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১৬

পিতা মাতার প্রতি একটু সময় দিয়ে ভাবুন ! (১ম পর্ব)

মা’ মরে গেলে সন্তান হিসেবে আপনার উচিৎ আপনার বাবাকে ২য় বার বিয়ে দেয়া!
হয়ত ভাবছেন, সন্তান নিয়ে বাবা দিব্বি জীবন পার করতে পারবে আবার এই বয়সে বিয়ে করে আমাদের ইজ্জত নস্ট করার কি দরকার ! এত ইজ্জত যায় না ! সমাজ আমাদের তৈরি.....একটু ভেবে দেখুন আপনি যখন বড় হয়ে নিজ সঙ্গিটির সাথে জীবন যাপন করবেন তখন ঐ নিঃসঙ্গ বাবাকে সঙ্গ দেবে কে ? বাবাকে বিয়ে করালে আপনার বাবা আপনারই থাকবে...এবং সৎ মা নয়...তাকে আপন মায়ের মতো ভালবাসলে সে ও আপনাকে সন্তানের মতো ভালবাসবে....
যদি আপনার বাবা আপনার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২য় বিবাহ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে তবে আপনি কেনসন্তান হিসেবে তাকে বিয়ে করাতে পারবেন না এই তথাকথিত সম্মানহানীর ভয়ে? আপনার বাবার চেয়ে কি সম্মান বড়? এমনও হতে পারে আপনার প্রিয় বাবাকে আর কোনদিনও বুড়ো বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হবে না.....
মন্দ হোক আর ভাল হোক বাবা আমার বাবা
পৃথিবীতে বাবার মতো আর আছে কে বা?
সেই সে বাবাকে কেন সুখ দেব না, কেন শান্তি দেব না....আমি সমাজের চিন্তায় চিন্তিত নই কারন আমি সন্তান আগে.....আমার বাবার সন্তান......

জীবনের অনেক সময় নস্ট করেছি আর কেন?

আমরা মানুষ। মানুষ পরিবর্তনশীল। মানুষ সৃষ্টির সেরা। তাই আমাদের আছে কিছু বিশেষ গুন। প্রতিটি প্রানী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করবে। ঐ নিয়মে আমিও মরব আজ অথবা কাল অথবা অনেকটি বছর পর। অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটনার জন্য এখন কোথাও নিরাপদ মনে হয় না। সবাই কেমন জানি আতংকিত ! আমি কিন্তু রিলাক্স মুডে আছি। কারন, শপিং মল নাকি নিরাপদ নয়......রেস্তোরা নয়......বাজার নয়.......ঈদগাহ মাঠ নয়.............তাহলে নিরাপদ কোথায়? এসব প্রশ্ন করে হতাশা আর আতংক হবার কিছু নেই। যতদিন বাঁচব, যতটুকু সময় বাঁচব সেটাকে উপভোগ করেই বাঁচব। কারন, জীবনের ভরসা এমনিতেই নাই। যখন রোগ নিয়ে হাসপাতালে যাব তখনও হাসিখুশি থাকব আর যখন দাওয়াত খেতে যাব তখনও....কারন আমি আমার জীবনের একটি সেকেন্ডও আতংকে কাটাব না। জীবনকে উপভোগ করব জীবনের নিয়মে............যখন যা সামনে আসবে তা মোকাবেলা করে বাঁচতে পারলে বাঁচব কিন্তু আতংকে থাকব না। সবাই ভাল থাকুন, আনন্দে থাকুন...........আতংক দূর করুন।

জীবনের অনেক সময় নস্ট করেছি আর কেন?

আমরা মানুষ। মানুষ পরিবর্তনশীল। মানুষ সৃষ্টির সেরা। তাই আমাদের আছে কিছু বিশেষ গুন। প্রতিটি প্রানী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করবে। ঐ নিয়মে আমিও মরব আজ অথবা কাল অথবা অনেকটি বছর পর। অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটনার জন্য এখন কোথাও নিরাপদ মনে হয় না। সবাই কেমন জানি আতংকিত ! আমি কিন্তু রিলাক্স মুডে আছি। কারন, শপিং মল নাকি নিরাপদ নয়......রেস্তোরা নয়......বাজার নয়.......ঈদগাহ মাঠ নয়.............তাহলে নিরাপদ কোথায়? এসব প্রশ্ন করে হতাশা আর আতংক হবার কিছু নেই। যতদিন বাঁচব, যতটুকু সময় বাঁচব সেটাকে উপভোগ করেই বাঁচব। কারন, জীবনের ভরসা এমনিতেই নাই। যখন রোগ নিয়ে হাসপাতালে যাব তখনও হাসিখুশি থাকব আর যখন দাওয়াত খেতে যাব তখনও....কারন আমি আমার জীবনের একটি সেকেন্ডও আতংকে কাটাব না। জীবনকে উপভোগ করব জীবনের নিয়মে............যখন যা সামনে আসবে তা মোকাবেলা করে বাঁচতে পারলে বাঁচব কিন্তু আতংকে থাকব না। সবাই ভাল থাকুন, আনন্দে থাকুন...........আতংক দূর করুন।

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬

স্প্যানিশ রেস্তোরা (গুলশান-৭৯)

অবশেষে আই এস বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে। আমি বাংলাদেশী ফেসবুক আইডিধারী সবাইকে মন থেকে একটি অনুরোধ করব প্লিজ আপনারা এ অনাকাঙ্খিত ঘটনাটি নিয়ে মজা, ব্যাঙ্গার্থক কথা, দলীয় প্রচারনা বন্ধ করুন । প্লিজ। এটি কতগুলো মানুষের জীবনহানীর ঘটনা। এটি আমাদের দেশের চিত্র। দলের আগে দেশ। কাউকে ছোট পরে করলেও চলবে। অথচ এটিকে নিয়ে এসব চিন্তা চেতনা প্রকাশ করে নিজেকে অন্তত ছোট করিয়েন না....প্লিজ ।দল বুঝি না, বুঝিনা মত, বুঝিনা কোন বিরোধীতা। শুধু বুঝি এটি আমার দেশের একটি দুর্যোগ সময়! আর এ সময় সমালোচনা নয়, দরকার ভালোবাসা, দরকার একতা। তাই দল-মত-বিরোধীতা-জাত-মান-কুল সব ভুলে গিয়ে সবাই দেশের কথা বলাই উত্তম। শুধু বললেও হবে না। ০১-০৯ তারিখ পর্যন্ত সরকারী ছুটি বিধায় এবার ঢাকা একটু বেশিই ফাঁকা। তাই এটিকে উড়িয়ে দিলে হবে না। সবাই সজাগ থাকুন, থাকুন সতর্কতার সহিত।

শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১৬

গুলশান-৭৯

অনেক রক্ত আমরা পূর্বেই দেখে এসছি। ”বাংলাদেশ”নাম লিখিয়েছি বিশ্বের সব দেশের নামের তালিকায়। আমরা যে বীরের জাতি তা এ পৃথিবী জানে। তাই এ রকম কোন পরিস্থিতিই আমাদের মানষিকভাবে দুর্বল করতে পারবে না। আমরা বাংলাদেশী মানুষেরা আবেগী। তাই আমরা মন থেকে গভীরভাবে মর্মাহত । খুব কম মানুষই আছেন কাল আমরা ঘুমাতে পেরেছি। তারপরও কিছু বাংলাদেশী মানুষ তাদের কথায়, আচরনে এমন এমন কথা প্রকাশ করছেন যা সত্যি ‍দুঃখজনক। তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলব, দেশকে ভালবাসুন। দেশ সবার আগে। আর এতে দেশ যাবে না। দেশের পরিস্থিতিতে যারা দেশের কথা ভাবে না। তারা আবার বলে এই দেশ গেল! ভালবাসা দিযে সব ধরে রাখা যায়। আর ১৭ কোটি মানুষ পারব না? তাহলে ৭ কোটি কীভাবে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছে? আজ আমরা বড় বড় কথা বলছি ঐ সাত কোটি মানুষের জন্য.......তাই আবারো বলব.....দেশকে ভালবাসুন।